শ্রীশ্রীঠাকুরের কৃপা | | সত্য ঘটনা #ramthakur #joyram ‪@SriSriRamthakur‬

শ্রীশ্রীঠাকুরের কৃপা | | সত্য ঘটনা #ramthakur #joyram ‪@SriSriRamthakur‬ ভগবানের উপর সকল ভার দিয়া কার্য্য করিয়া যাইবেন, প্রারদ্ধ ভোগ কেটে যাবে।১/৬৯
শ্রীশ্রীঠাকুরের এই অমূল্য পত্রাংশটির মর্মার্থ অত্যন্ত গভীর এবং সনাতন ধর্মের নিষ্কাম কর্মযোগ ও প্রারব্ধবাদের সারকথা।
১. ভগবানের উপর সকল ভার দিয়া
আত্মসমর্পণ ও ট্রাস্টি ভাব: এর অর্থ হলো কাজের কর্তৃত্ববোধ বা ‘আমি করছি’ এই অহংকার ত্যাগ করা। সংসারের সব দায়িত্ব পালন করবেন, কিন্তু নিজেকে কেবল ঈশ্বরের হাতের যন্ত্র বা প্রতিনিধি মনে করবেন।
মানসিক চাপমুক্তি: যখন আপনি বিশ্বাস করবেন যে পরিচালনা করার আসল মালিক ঈশ্বর, তখন আর অতিরিক্ত দুশ্চিন্তা, ভয় বা উদ্বেগের কোনো অবকাশ থাকে না।
২. কার্য্য করিয়া যাইবেন
অকর্মণ্যতা নয়, কর্মনিষ্ঠা: ভগবানের ওপর ভরসা করার অর্থ এই নয় যে কাজ বন্ধ করে হাত গুটিয়ে বসে থাকা। কর্ম আপনাকে করতেই হবে।
নিষ্কাম কর্ম: শ্রীমদ্ভগবদ্গীতায় যেমন বলা হয়েছে—“কর্মণ্যেবাধিকারস্তে মা ফলেষু কদাচন”। ফলাফল বা লাভ-ক্ষতির চিন্তা না করে নিজের কর্তব্যটুকু সততা ও নিষ্ঠার সাথে করে যাওয়াই হলো আসল কাজ।
৩. প্রারদ্ধ ভোগ কেটে যাবে
প্রারদ্ধ কী: আমাদের পূর্বজন্মের বা অতীত কর্মের যে অংশটি এই বর্তমান জন্মে ফল দেওয়ার জন্য নির্ধারিত হয়েছে, তাকে ‘প্রারদ্ধ’ বলে। মানুষের সুখ, দুঃখ, রোগ, শোক বা কষ্ট মূলত এই প্রারদ্ধের ফলেই ঘটে।
কীভাবে কাটে: মানুষ যখন আসক্তি রেখে কাজ করে, তখন প্রতিটি কাজের ফলে নতুন ‘সংচিত কর্ম’ বা বন্ধন তৈরি হয়। কিন্তু যখন সব ভার ঈশ্বরের ওপর সমর্পণ করে নিষ্কামভাবে দায়িত্ব পালন করা হয়, তখন:
নতুন কোনো কর্মের বন্ধন তৈরি হয় না।
অতীতের সঞ্চিত প্রারদ্ধের ফলও ধীরে ধীরে ভোগ হয়ে শেষ হয়ে যায়।
ঈশ্বরের শরণাগত হওয়ার ফলে দুঃখ বা কষ্টের মধ্যেও মন বিচলিত হয় না, ফলে প্রারদ্ধের তীব্রতা বা আঘাতের অনুভূতি অনেক কমে যায়।
সংক্ষেপে, ঈশ্বরকে সমস্ত কর্মফল ও দায়িত্ব সঁপে দিয়ে আসক্তিহীনভাবে নিজের কর্তব্যটুকু করে গেলে জীবনের অতীত কর্মের সমস্ত দুঃখ-কষ্টের হিসাব বা পাওনা মেটে যায় এবং মানুষ

Post a Comment

Previous Post Next Post

Popular Items